হামাস ইসরায়েল সংঘাত

- সাধারণ জ্ঞান - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী | NCTB BOOK
37

ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ হলো ইসরায়েল ও হামাস নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে চলমান একটি সংঘাত। এটি ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ শুরু হয়, যখন হামাস গাজা থেকে ইসরায়েলের ওপর “আল-আকসা প্লাবন অভিযান” নামে আকস্মিক হামলা চালায়। এর জবাবে ইসরায়েল “অপারেশন আয়রন সোর্ডস” শুরু করে।

  • সংঘাতটি সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত, যেখানে দুইপক্ষের হাজারো প্রাণহানি ঘটেছে।

  • হামাস গাজা সীমান্ত অতিক্রম করে ইসরায়েলি বসতি ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। ইসরায়েলও বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে প্রতিশোধ নেয়।

  • যুদ্ধের ফলে দুই লাখের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে, মানবিক সংকট তীব্র হয়েছে।

  • যুদ্ধের পটভূমিতে রয়েছে ইসরায়েলের ২০০৭ সাল থেকে গাজা অবরোধ, বসতি সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিনি–ইসরায়েলি সংঘাতের দীর্ঘ ইতিহাস।

  • হামাস বহু ফিলিস্তিনি বন্দী রাখে; ইসরায়েলও ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কঠোর নিরাপত্তা নীতি চালায়।

  • আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ায় পশ্চিমা দেশগুলো সাধারণত ইসরায়েলকে সমর্থন করে, আর কিছু আরব ও মুসলিম দেশ ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ায়।

ইসরায়েলের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বে ডানপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি নির্মাণ ত্বরান্বিত হয়েছে। এই রাজনৈতিক অবস্থার সঙ্গে গাজা ও ফিলিস্তিনি অঞ্চলের সংঘাত আরও জটিল হয়েছে।

সংক্ষেপে, এই যুদ্ধ হলো ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী দ্বন্দ্বের একটি তীব্র রূপ, যা মানবিক সংকট, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Content added By

বোর্ড অব পিস

72

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ (শান্তি বোর্ড) গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের ২০ দফার গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বোর্ড গঠিত হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, বোর্ডের সদস্যদের নাম শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। বোর্ডের অধীনে গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসন কাজ করবে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ট্রাম্প বলেন, নবনিযুক্ত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারকে বোর্ডের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া, মিসর, তুরস্ক ও কাতারের সহযোগিতায় হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের চুক্তি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, গাজার মানুষ অনেক সহ্য করেছে এবং এখন শান্তির সময় এসেছে।

২০২৩ সালের ইসরায়েলি হামলায় গাজা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, প্রায় ৭১ হাজার ৪০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বোর্ডের মাধ্যমে গাজার ত্রাণ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...